প্রেম এক এবং অদ্বিতীয় নয়

 


প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলে দু'জনের একজন কাঁদে। খুব কম দু'জন কাঁদে। তবে যদি এই সম্পর্ক নিজেদের বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে না ভাঙে, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপে ভাঙে, তাহলে দু'জনে কাঁদবে। এমন ভাঙন সামন্তবাদী অর্থাৎ পিতৃতান্ত্রিক সমাজে ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। এখানে বংশপরিচয় এবং তাদের আভিজাত্য প্রেমের বাধা হয়ে দাঁড়াতো। তখন প্রেমিকপ্রেমিকাগণ নিদারুণ কষ্ট পেয়ে কাঁদতো।




এখন সেসব বদলে গেছে। তবে তার অবশেষ থেকে গেছে। পুঁজিবাদী সমাজে প্রেমের অলিখিত শর্ত হচ্ছে অর্থনৈতিকভাবে সামাজিক হায়ায়ার্কি।  







যেভাবেই ভাঙুক, যে কাঁদে আমি তাকেই প্রকৃত প্রেমিক বলি এবং আমি তার কাঁধে হাত রাখি। আমি তার চোখের জল মুছিয়ে দিই। তাকে নিয়ে থিয়েটার দেখাতে নিয়ে যাই, ফুটপাতে দাঁড়িয়ে চা খাই, জ্যোৎস্নায় ভিজি, ভদকায় চুমুক দিই।




কবিতা পড়ে শোনাই, গান গেয়ে শোনাই। তার মন থেকে বেদনার ভার কমাতে চেষ্টা করি, বলি 'আমি তোমার সংগে আছি'..







কানে কানে বলি 'প্রেম ভেঙে যাওয়া ভাল, বরং যত দ্রুত ভাঙবে তত ভাল। না পাওয়ার বেদনা হবে তীব্র এবং গভীর'




'বেদনাগুলি ভুলিস নে, রেখে দে হৃদয়ে। সেগুলিই জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। এই সম্পদ থেকেই ফুটবে অজস্র বিচিত্র ফুল'




'আর মনে রাখিস, প্রেম এক এবং অদ্বিতীয় নয়। জীবন প্রেমের গাঁথা মালা। প্রেমে প্রথম বলে কিছু নেই। বরং শেষ প্রেমটাই ছিল সবচেয়ে সুন্দর। তবে সামনের প্রেমটা হবে আরো সেরা, আরো অনির্বচনীয়'




'মুছে ফেল অশ্রু বন্ধু, মুছে ফেল। যে হৃদয় যত দুঃখ দিয়ে পূর্ণ হয়েছে, সে হৃদয় সবচেয়ে দামি। তবে হৃদয়ের স্পেস এই মহাশূন্যের চেয়েও বড়। তাকে ভরে ফেলতে যদি সম্ভব হয় পৃথিবীর প্রতিটি নারীর সংগে, প্রতিটি পুরুষের সংগে প্রেমে জড়াতে হবে'




'এবার একটু হাস, জোরে জোরে হেসে ওঠ, আবার তোর বৃক্ষের শাখায় নতুন পত্রালি গজিয়ে তোল, আবার পাখিরা গান গাক, আবার ফুল ফুটুক'







যারা কাঁদে না, তারা প্রেমিক তো নয়ই, বরং এক একটা শয়তান। তাদের জন্য করুণা..

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

১১৬ টা কেন্দ্রের তারেক রহমান এর রেজাল্ট দেখে নিন

নতুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত তালিকায় যারা

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন (Cimon)। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়—শাস্তি ছিল ভয়ংকর